Friday, 14 December 2018

হিসাব বিজ্ঞানের ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয়ের স্বর্ণ সূত্র বিস্তারিত পড়ুন


হ্যালো  বন্ধুরা সবাই কেমন আছো আশা করি ভালোই আছো, আজ আমরা আলোচনা করবো হিসাব বিজ্ঞানের প্রদান উপাদান ডেবিট এবং ক্রেডিট কিভাবে সহজভাবে নির্ণয় করা যায়।

নবম শ্রেণী থেকে শুরু করে এম বিবিএ পর্যন্ত অর্থাত আপনি যদি ব্যবসায় শাখায় পড়া লেখা করেন তাহলে সারা জীবন ডেবিট ক্রেডিট সম্পর্কে আপনার পূর্ণাঙ্গ ধারণা থাকতে হবে, পানি ছাড়া যেমন মাছের জীবন জাপন সম্ভব না ঠিক তেমনি ডেবিট ক্রেডিটের ধারণা ছাড়া হিসাব বিজ্ঞানের অঙ্ক করাও সম্ভব না।

১৪৯৪ সালে ইতালীর গণিতবীদ দার্শনিক লুকা ডি ফ্যাসুলী প্রতিটি লেনদেনকে দুটি পহ্মে লিখে রাখতেন সঠিক হিসাব নির্ণয়ের জন্য যার নাম ছিলো দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি বর্তমানে এ দুতরফা দাখিলা পদ্ধতির নাম করণ করা হয় ডেবিট এবং ক্রেডিট।

নিচে ডেবিট এবং ক্রেডিট নির্ণয় করা হলো:
১| সম্পদ বাড়লে ডেবিট এবং কমলে ক্রেডিট, ব্যবসায়ের হ্মেত্রে সম্পদ বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে যেমন: আসবাবপত্র ক্রয় করা হলো সম্পদ বাড়ছে আবার বিক্রি করা হলো সম্পদ কমে গেছে।
২| দায় বাড়লে ক্রেডিট এবং কমলে ডেবিট, ব্যবসায়ের হ্মেত্রে দায় বাড়তেও পারে কমতেও পারে যেমন: ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ দায় বাড়ছে আবার ব্যাংকের ঋণ পরিশোন দায় কমে গেছে।
৩| মালিকানাসত্ব বাড়লে ক্রেডিট এবং কমলে ডেবিট,
ব্যবসায় পরিচালনায় মালিকানাসত্ব বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে যেমন: মালিক কর্তৃক মূলধন বিনিয়োগ মালিকানাসত্ব বাড়ছে আবার মালিক কর্তৃক উত্তোলন মালিকানাসত্ব কমে গেছে।
৪| আয় বাড়লে ক্রেডিট এবং কমলে ডেবিট,
ব্যবসায় পরিচালনায় আয় বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে যেমন: পন্য বিক্রি করা হলো আয় বাড়ছে আবার কর্মচারীর বেতন প্রদান করা হলো আয় কমে গেছে অর্থাৎ ব্যয় হইছে।
৫| ব্যয় বাড়লে ডেবিট এবং কমলে ক্রেডিট, ব্যবসায়ের হ্মেত্রে ব্যয় বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে যেমন: দোকান ভাড়া দেওয়া হলো ব্যয় বাড়ছে এবং তার বিপরীতে ব্যয় কমতেও পারে।

এ পদ্ধতিতে ডেবিট এবং ক্রেডিট সহজে নির্ণয় করা যায়, আর এই সূত্রকে হিসাব বিজ্ঞানের ভাষায় স্বর্ণ সূত্র বলা হয়।

অবশেষে বলা যায় ডেবিট এবং ক্রেডিটকে গিরেই সমগ্র হিসাব বিজ্ঞান সুতরাং ব্যবসায় শাখার ছাত্র ছাত্রীদের জন্য এটি খুবি গুরুত্বপূর্ণ। 

No comments:

Post a Comment