পরীহ্মায় কিভাবে ভালো ফলাফল করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন? তাহলে বিস্তারিত পড়ুন।


ছাত্রজীবনে সকল ছাত্র ছাত্রীর খুব পরিচিত একটি শব্দ পরীহ্মা সেই ছোট বেলা থেকে পরীহ্মা দিতে দিতে আজও মিলেনি পরীহ্মা থেকে মুক্তি তাই আজ আমরা আলোচনা করবো কিভাবে একজন ছাত্র ছাত্রী পরীহ্মায় ভালো ফলাফল করতে পারে।

আমাদের মাঝে অনেক মেধাবী ছাত্র ছাত্রী আছে যারা সারাদিন পড়ালেখা করেও ভালো ফলাফল করতে পারে না, আর কথা না বাড়িয়ে আমরা আমাদের কাজে চলে ছাই।

পরীহ্মায় ভালো করার জন্য একজন ছাত্র ছাত্রী বাসায় নিয়োমিত পড়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত সৃজনশীল প্রশ্ন সমাধান করতে হবে কারণ বর্তমানে নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে না লাগাতে পারলে ভালো ফলাফল সম্ভব না এবং সব সময় পড়া লেখা নিয়ে চিন্তা চেতনা থাকতে হবে। তুমি যতই ভালো ছাত্র হওনা কেন পরীহ্মা সম্পর্কে তোমার পুরোপুরি ধারণা না থাকলে ভালো ফলাফল কখনই সম্ভবনা।

পরীহ্মার হলে করণিও কাজ , সোন্দর মন এবং ভালো প্রসস্তুতি নিয়ে পরীহ্মা আরম্ভ হওয়ার কিছুখন আগে পরীহ্মার জন্য তৈরি হওয়া, পরীহ্মার খাতায় নাম রোল নং এবং শাখা সোন্দর করে নির্ভুল ভাবে লিখতে হবে, খাতায় রোল টানার সময় কালো কলম দিয়ে না টেনে সবুজ কিংবা নীল কলম দিয়ে রোল টানলে স্যারদের সৃষ্টি আর্কষণ কেড়ে নেওয়া যায় কিন্তু লাল কলম ব্যবহার করা যাবেনা সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

প্রশ্ন হাতে পাওয়ার পর সকল প্রকার বাজে চিন্তা চেতনা থেকে মুক্ত থাকতে হবে তা না হলে প্রশ্ন ভালো করে বোঝা যাবে না, দুই থেকে তিন বার প্রশ্ন ভালো করে পড়তে হবে প্রশ্ন বুঝে উত্তর দিতে হবে।

সৃজনশীল প্রশ্ন অতিরিক্ত বড় করা যাবে না অতিরিক্ত বড় করে লেখলে স্যার খাতা কাটার সময় বিরত্তি বোধ করবেন যার ফলে ভালো নাম্বার পাওয়া সম্ভব না।

খাতায় লেখার সময় প্রশ্নের সাথে মিল রেখে লেখতে হবে, হাতের লেখা অবশ্যই সোন্দর হতে হবে, একজন পরীহ্মাথীর ভালো নাম্বার পাওয়ার আসল কারণ সোন্দর হাতের লেখা, কারণ সোন্দর হাতের লেখা স্যারদের আর্কষণ কেড়ে নেয়।

সৃজনশীল লেখা গুলো প্যারা দিয়ে দিয়ে লিখতে হবে প্যারা দিয়ে লিখলে লেখা দেখতে ভালো লাগে এবং সোন্দর ভাবে বোঝা যায়।

এই পোষ্টটি ভালো লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না, আমাদের আগামি টিপস দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন খোদা হাফেজ।

No comments

Powered by Blogger.